আজ ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | সকাল ১০:৫৬

  • বাংলা English
সদ্য :

☉ নব নির্বাচিত এমপিকে ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের ফুলেল শুভেচ্ছা☉ প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত জাহাঙ্গীরের দাফন সম্পন্ন \ ঘাতক সিরাজুল গ্রেপ্তার☉ মঠবাড়িয়ায় বাল্য বিয়ে রোধে তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত☉ অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন বানচালকারীদের কোন ছাড় নয়☉ বখাটে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বড়মাছুয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন☉ মঠবাড়িয়া-বড়মাছুয়া সড়কে কার্পেটিং কাজে আবারও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার : পিচ-পাথর নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ☉ বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবদুর রশিদ মানিক মিঞা’র দাফন সম্পন্ন☉ ছাত্রলীগ নেতা সোহেলের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রতাহারের দাবিতে মানববন্ধন☉ মঠবাড়িয়ায় থানার ওসি প্রত্যাহার☉ ১৮ মামলার আসামী ফল সোহেলসহ গ্রেপ্তারকৃত-১২জন জেল হাজতে

বিজয় দিবস ও তারুণ্য ভাবনা

বিজয় দিবস ও তারুণ্য ভাবনা

১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভূমিষ্ট হয়। আমরা নতুন প্রজন্মের তরুণরা বিজয় দেখিনি; কিন্তু আমরা শুনেছি জেনেছি সেই বিজয়ের আত্মকথা। আমাদের সবাইকে বিজয় দিবসের অর্জনকে ধারণ করে নতুনদের কাছে বিজয় দিবসের কথা তুলে ধরতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নির্যাতন-নিষ্পেষিত হওয়ার কথা জানাতে হবে। তারুণ্য মনে, মননে, শক্তিতে, সামর্থ্যে এবং ভাবনায়।
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের শক্তি হিসেবে কাজ করেছে আমাদের তারুণ্য। আমাদের অনেক কিছু নির্ভর করে এমন তরুণদের ওপর। তবে মানসিক শক্তি তরুণদেরকে সঠিক কাজে সঠিক সময়ে বেঁধে রাখতে পারে। যার সত্যনিষ্ঠ উজ্জ্বল প্রমান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীন বাংলাদেশ গড়তে মৃত্যুকে উপেক্ষা করে এগিয়ে গেছে দুর্বার গতিতে। তবে আজকের তরুণ আর একাত্তরের তরুণের মধ্যে সংখ্যাগত যেমন ব্যবধান রয়েছে, তেমনি রয়েছে আরো অনেক কিছু। কেননা তারা যুদ্ধ দেখেনি। একাত্তরের তরুণদের মধ্যে ছিল না আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির ছোঁয়া, ছিল না ব্যাপক শিক্ষা ও জ্ঞানভান্ডার। তবে তাঁদের মধ্যে বড় ছিল শক্তি, চেতনা, মনোবল, উৎসাহ ও উদ্দীপনা, যার পুরোটা ঘিরে ছিল স্বাধীনতা। ছিল এমন এক নেতৃত্ব, যাঁর মধ্যে ছিল না কোনো খাদ, সন্দেহ আর অবিশ্বাস। নেতার গুণাবলি ছিল এমন, যেখানে আস্থা ছিল শতভাগ। এমন এক নেতা ছিলেন, যেখানে সবাই উন্মুখ ছিল ডাকের অপেক্ষায়। শিক্ষাটাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। তাহলে সত্যিকার অর্থেই সোনার বাংলা গড়া সম্ভব। আজকে যারা বর্তমান তারা একদিন সাবেক হবে, তরুণ প্রজন্ম একদিন এ দেশের এমপি-মন্ত্রী-সচিব হবে। তাই নিজেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসেবে তৈরি করতে হবে। কারণ দেশ আমার, দায়িত্বও আমার। আমাদের নিজের পরিবারের প্রতি যতটা দায়িত্ব, এ দেশের প্রতিও ঠিক ততটাই দায়িত্ব। এই দায়িত্ব শুধু ফেসবুকের দেয়ালে পোস্ট ভাইরাল সমালোচনা করেই সমাপ্ত করা নয়। বাস্তবে করে দেখাতে হবে। তবেই উন্নত দেশ হিসেবে বিজয় মিছিল নিয়ে বিশ্বদরবারে লাল-সবুজের পতাকা তুলে ধরা সম্ভব। ৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা ঘটে এবং জন্মলাভ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এই রাষ্ট্রের জন্মের পেছনে এক সমুদ্র রক্ত বাঙালিকে দিতে হয়েছে। এবং সেটা ৪৭ সালের দেশ ভাগের পর থেকেই।
৪৮ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা না করার চক্রান্ত হয়, ৫২ সালে বাঙালিরা মাথা উঁচু করে বিদ্রোহ করে। ঘটে যায় ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন। আমরা ভাষা আন্দোলনের পরিপূর্ণ মর্যাদা এবং তার বিকাশে পরিপূর্ণ ফল খুব কমই তলিয়ে বিচার করি। বিচার করলে দেখা যাবে, পূর্বপাকিস্তান সৃষ্টি হবার দিন থেকে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন পর্যন্ত এই রক্তপাত করতে থাকে। এই ইতিহাসটা আমরা ভুলতে পারি না, ভুলতে পারব না, এই ইতিহাস যে ভোলে তার বাঙালি পরিচয় থাকতে পারে না। ডিসেম্বর এলে আমিও স্বাভাবিকভাবেই তারুণ্যদীপ্ত হয়ে উঠি। স্মরণ করি সেইসব বীর সেনানীদের যারা শোষণ বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে অনাগত ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি দেশ উপহার দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা অস্ত্র হাতে পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই মুক্তিযুদ্ধে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, ভুটান, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। অবশেষে বাঙালি দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে বুকের উষ্ণ রক্তে রাঙিয়ে রাত্রীর বৃন্ত থেকে ছিনিয়ে আনে ফুটন্ত সকাল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে মিশন ও ভিশন নিয়ে মাঠে রয়েছেন এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁর কাজের এক চালিকাশক্তি হিসেবে সরাসরি কাজ করতে পারে আমাদের দক্ষ শিক্ষিত তরুণসমাজ। যে সমাজ আক্ষরিক অর্থে যদি কোনো নেতিবাচক আসক্তির সমাজ না হয়, যে সমাজ যদি বিভ্রান্তির সমাজ না হয়, যে সমাজ স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত সমাজ, বাংলাদেশ গড়ার সমাজ, আগামী দিনের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার সমাজ, সঠিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেয়ার সমাজ। সবাই মিলে দেশকে ভালোবেসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরাই গড়ে তুলব আগামীর বাংলাদেশ।


লেখকঃ মোঃ রুবেল মিয়া নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক, প্যারেন্টস এজিং ফাউন্ডেশন।

Comments

comments

আরও পড়ুন

নব নির্বাচিত এমপিকে ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের ফুলেল শুভেচ্ছা
নব নির্বাচিত এমপিকে ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের ফুলেল শুভেচ্ছা
নব নির্বাচিত এমপিকে ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের ফুলেল শুভেচ্ছা
প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত জাহাঙ্গীরের দাফন সম্পন্ন \ ঘাতক সিরাজুল গ্রেপ্তার
প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত জাহাঙ্গীরের দাফন সম্পন্ন \ ঘাতক সিরাজুল গ্রেপ্তার
প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত জাহাঙ্গীরের দাফন সম্পন্ন \ ঘাতক সিরাজুল গ্রেপ্তার
মঠবাড়িয়ায় বাল্য বিয়ে রোধে তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত
মঠবাড়িয়ায় বাল্য বিয়ে রোধে তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত
মঠবাড়িয়ায় বাল্য বিয়ে রোধে তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত
অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন বানচালকারীদের কোন ছাড় নয়
অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন বানচালকারীদের কোন ছাড় নয়
অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন বানচালকারীদের কোন ছাড় নয়
বখাটে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বড়মাছুয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন
বখাটে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বড়মাছুয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন
বখাটে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বড়মাছুয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন
মঠবাড়িয়া-বড়মাছুয়া সড়কে কার্পেটিং কাজে আবারও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার : পিচ-পাথর নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ
মঠবাড়িয়া-বড়মাছুয়া সড়কে কার্পেটিং কাজে আবারও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার : পিচ-পাথর নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ
মঠবাড়িয়া-বড়মাছুয়া সড়কে কার্পেটিং কাজে আবারও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার : পিচ-পাথর নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ